বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্সটিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০১৪

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাণে দক্ষ ও যোগ্য নির্মাতা এবং কলাকুশলী সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বর্তমান সরকার একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছে।

 

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন সম্প্রচার বিষয়ে কারিগরি প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ আয়োজন, সম্মাননা প্রদান, ডিপ্লোমা, স্নাতক ডিগ্রি প্রদান এবং এ সংক্রান্ত গবেষণা করার জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের একটি ভবনে এর অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২০১৩ সালের ২৩ নং আইন হিসাবে ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র টেলিভিশন ইনস্টিটিউট’ আইন পাশ হয়। ২০ জুন ২০১৩ তারিখের বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী  আইনটি ০১ নভেম্বর ২০১৩ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।

 

নবপ্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট পরিচালনার জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথ্য সচিব জনাব মরতুজা আহমদকে চেয়ারম্যান করে ০৩ বছরের জন্য ২২ সদস্যের গভর্নিং বডি গঠন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন গভর্নিং বডির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট ও এর প্রথম কোর্স উদ্বোধন করেন। ০১ বছর মেয়াদি চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রশিক্ষণ (ডিপ্লোমা) কোর্স যথারীতি চলছে। চলচ্চিত্রের ইতিহাস, ভাষা, নন্দনতত্ত্ব, সম্পাদনা, সিনেমাটোগ্রাফি, শব্দ সংযোজন, চিত্রনাট্য অভিনয়, শিল্প নির্দেশনা, পরিচালনা, চলচ্চিত্র উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও বিতরণ পদ্ধতি ইত্যাদি পাঠ্যক্রম এ কোর্সের অমর্ত্মভূক্ত। টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রযোজনা ও ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শীঘ্রই শুরু করা হবে।

 

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সাংগঠনিক কাঠামো ও যন্ত্রপাতির তালিকা এবং প্রবিধানমালার খসড়া প্রণীত হয়েছে, বাজেট ও আর্থিক অন্যান্য প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য জনপ্রশাসন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জায়গা বরাদ্দের বিষয়টি গুরম্নত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

ইনস্টিটিউটটি প্রতিষ্ঠিত হলে তা হবে এশিয়ার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট।


Share with :
Facebook Facebook